চাইলেই আমরা যে কেউ সান্তা ক্লজ হতে পারি
...দেখি একটা বাচ্চা মেয়ে হাত পেতে দাঁড়িয়েছে সামনে। গায়ে মলিন পোশাক। তার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে তেমনই একটা ছোট্ট ছেলে। ভাইবোনে ভিক্ষা করতে বেরিয়েছে। আজকাল শহরগুলোতে এই একটা ভালো ব্যবসা। বাবা-মা হয়তো ফুটপাথে থাকে বা বস্তিতে। হয়তো মুটেগিরি করে বা করে না। বাচ্চাগুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছে ভিক্ষা করতে। পাশ কাটিয়ে যেতে গিয়েও কী মনে করে বিরক্ত হয়ে এক টাকার একটা কয়েন এগিয়ে দিলাম। মেয়েটা হাত সরিয়ে নিল। আঙুল তুলে দোকানের দিকে দেখালো। সেদিকটাতে রঙবেরঙের বেলুন ঝোলানো। আমার কাছে আগে কেউ কখনও বেলুন ভিক্ষা চায়নি, তাই একটা বেলুন কিনে মেয়েটাকে দিলাম। মেয়েটা বেলুনটা তার ভাইয়ের হাতে দিল। তারপর ছুটতে ছুটতে ভিড়ে মিশে গেল দুজন।
“বাচ্চা দুটোর খুশি মুখ যদি তোমরা দেখতে।” রাঙাদাদু গল্প শেষ করলেন, “সান্তা ক্লজের বড় কাট আউটটার তলায় আর সব কিছু মুছে বড় বড় করে লিখে দেওয়া উচিত – চাইলেই আমরা যে কেউ সান্তা ক্লজ হতে পারি।”
সৃষ্টির ব্লগে সাহিত্য সম্পর্কিত যে কোনও খবর প্রকাশ পেয়ে থাকে। পড়ুন। চাইলে আপনিও খবর পাঠাতে পারেন।













